‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার প্রযুক্তির মহাসড়ক’ স্লোগানে লেজার সিগনেচারের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হলো তিন দিনের ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) বেলা ১১টা ৩৭ মিনিটে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে নিজের ডিজিটাল সইয়ের মাধ্যমে মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয়।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ কে এম রহমতুল্লাহ, হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ঝাং জেংজুন এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব নূর-উর-রহমান।

এর আগে কোরআন তেলওয়াত, গীতা, বাইবেল ও ত্রিপিটক পাঠের পর লেজার শো উপস্থাপন করার পর সকাল সাড়ে ১০টায় উদ্বোধনী মঞ্চে ওঠেন অতিথিরা। মঞ্চে জয়কে ফুল দিয়ে বরণ করেন মন্ত্রী।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব নূর-উর-রহমান বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ স্বপ্ন নয়, বাস্তবতা। তাই আমরা আমাদের এই জাতীয় মেলা জাতির পিতার প্রতি উৎর্গিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মাধ্যমে আমরা ইতিমধ্যেই সহজেই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে টেলিমেডিসিন সুবিধা পৌঁছে দিতে পেরেছি। দেশে ৯৮ শতাংশের ওপর টেলিডেনসিটি পৌঁছে গেছে।’
হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ঝাং জেংজুন, ২০১৫ সালে আমরা প্রথম বাংলাদেশে ৫জির প্রদর্শন করি। ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশে ব্যবসায় শুরু করার পর থেকে ধীরে ধীরে নানা উদ্যোগের মাধ্যমে আজ এই সম্মান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
তিনি বলেন, ৫জি যুগের শুরু হয়েছে। হুয়াওয়ে শুরু থেকেই এগিয়ে আছে। এ কারণে বৈশ্বিক ভাবে এগিয়ে থাকতে পেরেছি। আমরা বাংলাদেশের অর্ধশত বর্ষের অংশীদার হতে পেরে গর্ব বোধ করেছে।
ঝাং জেংজুন বলেন, ফাইভজি মেশন টু মেশিন যোগাযোগের একটি দ্রুততম নেটওয়ার্কই নয়। এটি নতুন জগতের জন্ম দেবে।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ কে এম রহমতুল্লাহ বলেন, দেশের ৫০ শতাংশের বেশি মানুষ প্রাত্যহিক কাজে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। আধুনিক জীবেনের প্রায় সকল ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে। তবে এ জন্য ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে উদ্যোগ নিতে হবে। সকলকে অংশীদারীত্বের মোনোভাব নিয়ে কাজ করলেই রূপকল্প বাস্তবায়ন সহজ হবে।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে এই মেলা উদযাপনে ভূমিকা রাখছে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাদাতা সংগঠন আইএসপিএবি।